মাইকেল ইউসুফের জন্মের পূর্বেই তার জন্য ঈশ্বরের দর্শন ছিল। মাইকেল যখন মাতৃগর্ভে তখন তার মায়ের শারিরীক দূর্বলতা এতটাই সঙ্গিন হয়েছিল যে জন্মদানে প্রাণসংশয় থাকায় চিকিৎসক গর্ভপাতের পরামর্শ দেন। গর্ভপাতের সময় নির্ধারিত হয়। কিন্তু ঈশ্বর হস্তক্ষেপ করেন এবং সেই পরিবারে একজন পালককে প্রেরণ করেন তাদের পুনরাই আশ্বস্ত করার জন্য যে ঈশ্বর এই গর্ভের সঙ্গে যুক্ত আছেন। তিনি তাদের সাহস দিয়ে বলেন এই সন্তান “জন্মগ্রহণ করবে প্রভুর সেবার্থে”। মাইকেলের পিতামাতা পালকের এই বার্তাকে ঈশ্বরের বার্তা বলে গ্রহণ করে তাঁর বাধ্য হন। তার মা তাকে জন্মদান করেন এবং জীবদ্দশায় দেখেন সে ষোল বছর বয়সে প্রভুকে জীবন সমর্পণ করেছে। তিনি বিশ্বাস করেছিলেন যে ঈশ্বর তাকে মিশরের বাইরে আহ্বান করেছেন তাই তিনি ভিশার জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন, সেই সময় যখন কোন ইউনিভার্সিটির ছাত্রকে দেশ ছাড়ার অনুমতি দেওয়া হত না। ঈশ্বর আবার এখানে হস্তক্ষেপ করেন এবং তিনি অলৌকিক ভাবে ভিশা অর্জন করেন। তিনি অস্ট্রেলিয়ার অধিবাসী হন, সেখানে তিনি মুর থিয়োলজিক্যাল কলেজে পড়াশোনা করে পালক রূপে অভিষিক্ত হন এবং সেখানে এলিজাবেথের সঙ্গে তার পরিচয় হয়, যিনি তার স্ত্রী হন। ১৯৭৭ সালে ইউসুফ আমেরিকাতে আসেন এবং ১৯৭৮ সালে কালিফর্নিয়ায় ফুলার থিয়োলজিক্যাল সেমিনারিতে ঈশ্বতত্বে মাস্টারস ডিগ্রি করেন। তারপর এমোরী ইউনিভার্সিটি, আটলান্টা, জর্জিয়া থেকে সোস্যাল এ্যান্থ্রোপলজিতে তে ডক্টরেট অর্জন করেন। হাগাই ইন্সস্টিটিউটে মাইকেল প্রায় দশ বছর শিক্ষকতা করেন, ৩২ বারেরও বেশি তিনি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করে সুসমাচার প্রচার ও নেতৃত্ব বিষয়ক শিক্ষাদান করেন। তিনি ৩১ বছর বয়সে ম্যানেজিং ডিরেক্টর পদে আসিন হন। তার পরিবার আটলান্টায় স্থায়ীভাবে বসবাস করেন এবং ১৯৮৪ সালে মাইকেল যুক্তরাস্ট্রের নাগরিকত্ব লাভ করেন, যাতে তার অনেক বছরের স্বপ্ন সফল হয়। ১৯৮৭ সালে তিনি ৪০ জনকে নিয়ে “ইকুউপিং দ্যা সেন্টস এন্ড সার্চিং ফর দ্যা লস্ট” মিশনের সহযোগিতায় দ্যা চার্চ অফ দ্যা অ্যাপস্টেলস মন্ডলী প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে সেই মন্ডলীতে বিশ্বাসীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ৩০০০ জনে দাঁড়িয়েছে। এই মন্ডলী লিডিং দ্যা ওয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিচালনা করে। যখন দেশে বিদেশে লক্ষ লক্ষ মানুষ ঈশ্বরের বার্তা রেডিও ওয়েভের মাধ্যমে শোনে এগুলি পালকের হৃদয়ের বার্তারূপে এই সব মানুষের যত্ন নেয় এবং লালন পালন করে। এটি স্পষ্ট যে ঈশ্বর ডঃ ইউসুফকে বিশ্বব্যাপী শ্রোতাদের কাছে প্রচার করার জন্য আশ্চর্য্ রূপে সুসজ্জিত করেছেন। তিনি যে পথ গ্রহণ করেছেন তা তাকে দিয়েছে জ্ঞান এবং শাস্ত্র সম্পর্কিত দৃঢ় উপলব্ধি যা সংস্কৃতিকে অতিক্রম করে। তিনি প্রচার করেন, শিক্ষাদান করেন এবং যা ঈশ্বরের অনুপ্রাণিত বাক্যের কর্তৃত্বকে ভিত্তি করে আন্তরিকতার সঙ্গে আহ্বান জানায় । পবিত্র ভূমি সম্পর্কিত ইতিহাস এবং তার সংস্কৃতিগত জ্ঞান দ্বারা ডঃ মাইকেল ইউসুফ বিশ্বব্যাপী শ্রোতাদের হৃদয় রূপান্তর করেন।

Ministries

Email Sign-up

Sign up for the TWR360 Newsletter

Access updates, news, biblical teaching and inspirational messages from powerful Christian voices.

Thank you for signing up to receive updates from TWR360.

Required information missing